ব্লগিং করে টাকা আয় এর বিস্তারিত এক পোষ্টে

ব্লগিং করে টাকা আয় : বর্তমানে অনলাইন জগত প্রসারিত হয়েছে। এরফলে অনলাইন থেকে টাকা ইনকামের পথ সুগম হয়েছে। অনলাইন থেকে ইনকাম এর একটি অন্যতম পদ্ধতি হচ্ছে ব্লগিং করে টাকা আয়। ব্লগিং করে আমরা খুব সহজে টাকা আয় করতে পারি। তবে প্রথম দিকে কিছুটা কষ্ট হতে পারে। তবে ব্লগিং করে টাকা আয় এর বিস্তারিত পাবেন আজকের এই পোস্ট।

ব্লগিং কি? What is blogging

ব্লগিং কি

বর্তমান জগতে ব্লগিং নামটি খুব জনপ্রিয়। আমরা কোন কিছু জানার প্রয়োজন হলে গুগলে সার্চ করি। আমরা বিভিন্ন তথ্য সেখানে পাই। সেই তথ্যগুলো বিভিন্ন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আমরা দেখতে পারি। সুতরাং ওয়েবসাইট এর তথ্য আমরা দেখতে পাই। কথা হচ্ছে এই ওয়েবসাইটে তথ্যগুলোকে দিল কে? অবশ্যই কেউ না কেউ দিয়েছে। মূলত আমার আপনার মত মানুষ ওয়েবসাইটে এই তথ্যগুলো দিয়েছে। কথা হচ্ছে ওয়েবসাইট তাহলে কার? ওয়েবসাইট ও আমার আপনার মত মানুষের। সুতরাং আমরা বিভিন্ন তথ্য ওয়েবসাইটে দেই এবং সেগুলো মানুষ দেখতে পায়। তাহলে, কেন আমরা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য দিব? আমাদের স্বার্থ কি?

যদি আমরা ওয়েব সাইটে বিভিন্ন তথ্য দেই এবং সেগুলো মানুষ দেখে, তাহলে গুগোল আমাদের অর্থ প্রদান করবে। এই প্রক্রিয়াকে বলা হচ্ছে ব্লগিং। সুতরাং ব্লগিং করতে হলে আপনার একটি ওয়েবসাইট থাকতে হবে। সেই ওয়েবসাইটে আপনি বিভিন্ন আর্টিকেল পাবলিশ করবেন। সেগুলো মানুষ দেখবে। গুগল থেকে মনিটাইজেশন নিতে হবে। এর ফলে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন হবে। আর আপনার অনলাইন ইনকাম শুরু হবে। এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া ব্লগিং বা ব্লগিং করে টাকা আয় নামে পরিচিত। আশাকরি ব্লগিং কি এইটুকু আমরা বুঝতে পেরেছি।

ব্লগিং করতে হলে কি প্রয়োজন?

যদি প্রথমে বলি তাহলে বলবো ব্লগিং করতে হলে ধৈর্য্য প্রয়োজন। কারণ ব্লগিং করলেই টাকা আয় শুরু হয় না। এজন্য প্রথমদিকে কষ্ট করতে হয়। প্রথম থেকে অনেক কনটেন্ট পাবলিশ করতে হয়। তাই অনেকেই প্রথমদিকে হতাশ হয়ে পড়েন। এজন্য তারা ব্লগিং শুরু করেও শুরু করে না. তাই যারা ব্লগিং আসলেই শুরু করতে চান, তারা ধৈর্যসহকারে এগোতে হবে।

দ্বিতীয়ত ব্লগিং করার জন্য আর্টিকেল লেখার মানসিকতা থাকতে হবে। যারা ছোটবেলা থেকেই লেখালেখি করতে পছন্দ করেন তাদের জন্য ব্লগিং করে টাকা আয় খুবই উত্তম। অন্য ওয়েবসাইটে লেখা কপি করা থেকে বিরত থাকতে হবে। আমরা অনেকেই চিন্তা করি অন্য ওয়েব সাইটের লেখা নিয়ে নিজের ওয়েবসাইটে পাবলিশ করার। কিন্তু এটা কখনই কাম্য নয়। কারণ গুগোল খুব সহজে আপনাকে ধরে ফেলবে, যদি আপনি অন্যের ওয়েবসাইটের লেখা নিজের ওয়েবসাইটে পাবলিশ করেন। তাই যাদের এই মানসিকতা রয়েছে তারা এখনই পরিহার করুন। নিজে লেখার চেষ্টা করুন। যদি আপনি অন্য লেখা লিখেন তাহলে কোনোভাবেই মনিটাইজ পাবেন না।

আপনার এসইও সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখতে হবে। কারণ শুধু পোস্ট লিখলেই হবে না। যেন সেই পোস্ট সবাই দেখতে পায় সেই কাজ করতে হবে। আর সেই কাজ করার জন্য প্রয়োজন এসইও আর্টিকেল লেখা। এসইও অর্থ হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। অর্থাৎ আপনি সার্চ ইঞ্জিনকে বোঝাবেন আপনার লেখা কোন বিষয়ে। মানুষ কি দিয়ে সার্চ করলে আপনার লেখা পাবে। আপনার লেখা অন্যদের থেকে ভালো সেটা সার্চ ইঞ্জিন কে বোঝাতে হবে। এজন্য আপনাকে জানতে হবে এসইও।

সবশেষে আপনার যেটা প্রয়োজন হবে তা হচ্ছে একটি ওয়েবসাইট। আপনি পোস্ট লিখবেন একটি প্লাটফর্মে। সেই প্ল্যাটফর্ম টা হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইট। ওয়েবসাইট আমরা কিভাবে তৈরি করতে পারি তার বিস্তারিত আমরা এই পোস্টেই বলব। তাই ধৈর্য সহকারে পোস্ট পড়ুন।

ব্লগে কি ধরনের লেখা লিখে আয় করবেন?

ব্লগিং করে টাকা আয় করার জন্য প্রথমেই আপনার ব্লগিং টপিকস সিলেক্ট করতে হবে। অর্থাৎ আপনি কি নিয়ে আপনার ব্লগে লেখালেখি করবেন। সবচেয়ে ভাল হয় আপনি যে বিষয়ে সিলেক্ট করবেন সে বিষয়ের উপর ডোমেন নেওয়া। এর জন্য আপনি যে বিষয়ে পারদর্শী বা আপনি যে বিষয়ে আগ্রহী সেই বিষয়ে সিলেক্ট করুন। কয়েকটি ব্লগিং টপিকস নিম্নে দেওয়া হল:

এডুকেশন
হেলথ
টেকনোলজি
স্পোর্টস
নিউজ
ফ্যাশন ইত্যাদি

তবে প্রথমেই বলেছি আপনি যে বিষয়ে লিখেন না কেন অন্যের লেখা কপি করা থেকে বিরত থাকতে হবে। যদি আপনি অন্যের লেখা কপি করেন তাহলে গুগল আপনাকে বিভিন্ন ইস্যু দেখিয়ে এডসেন্স দেওয়া থেকে বিরত থাকবেন। তাই এ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখবেন। ব্লগিং করে টাকা আয় করার জন্য বিষয়টি অতীব গুরুত্বপূর্ণ।

ব্লগিং করে কিভাবে আয় করা যায়?

ব্লগিং করে কিভাবে আয় করা যায়

আমি ধরে নিলাম আপনি ব্লগিং করে আয় করার জন্য একটি ওয়েবসাইট তৈরি করেছেন এবং টপিকস সিলেক্ট করেছেন। এছাড়া আপনি মানসিকভাবে প্রস্তুত রয়েছেন। এখন আপনার জানা প্রয়োজন কোন পদ্ধতিতে আপনার ব্লগিং করে আয় হবে। সবচেয়ে জনপ্রিয় যে পদ্ধতিতে হচ্ছে গুগল এডসেন্স। গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে আমরা খুব সহজে ভালো পরিমাণ টাকা ব্লগিং করে আয় করতে পারি। এই প্রক্রিয়াটি খুবই সহজ। যখন আপনি একটি ওয়েবসাইট তৈরি করবেন, এরপর আপনি ওয়েব সাইটে নিয়মিত লেখা পাবলিশ করতে থাকবেন। এরপর আপনার ওয়েবসাইট গুগল সার্চ কনসোলে যুক্ত করবেন। যেন গুগোল আপনার লেখাগুলো সার্চ রেংকিং এ আনে।

ঘরে বসে আয় করুন ১৫০০০ ২০০০০ টাকা প্রতি মাসে

টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশে ২০২২

How to make money from youtube in 2022? The Complete Guideline

How does Facebook make money?

How to get a remote job

এর ফলে আপনার লেখাগুলো ভিজিটররা পড়বে। অনেকের কাছেই আপনার লেখা পৌঁছাবে। অর্থাৎ আপনার ওয়েব সাইটে নিয়মিত কিছু অর্গানিক ট্রাফিক আসবে। এরপর আপনি গুগোল অ্যাডসেন্সে একাউন্ট তৈরি করবেন। গুগল এডসেন্স একাউন্ট তৈরী করার পরে সম্পূর্ণ তথ্য দেয়ার পর আপনি গুগল এডসেন্স এর জন্য এপ্লাই করবেন। গুগোল আপনার ওয়েবসাইটটি ভালোভাবে মনিটরিং করবে। প্রথমে যা বলেছিলাম আপনি কি অন্য কারো লেখা কপি করেছেন কিনা, আপনার লেখা কি মান সম্মত হয়েছে কিনা, সকল বিষয়ে গুগোল খুব ভালো করে দেখবে। এছাড়া প্রয়োজনীয় ইনফর্মেশন আপনার ওয়েবসাইটে আছে কিনা? কি কি ইনফরমেশন প্রয়োজন তা আমরা এই পোস্ট এ বলে দিব।

এখন আমরা ব্লগিং করে আয় করার অন্য আরেকটি উপায় দেখবো। আর তা হচ্ছে এফিলিয়েট মার্কেটিং। এফিলিয়েট মার্কেটিং মানে হচ্ছে অন্য কারো প্রডাক্ট আপনার ওয়েবসাইট কিংবা অন্য কারো ওয়েবসাইটে প্রচার করা। যেহেতু আপনার নিজের ওয়েবসাইট রয়েছে, তাই আপনি অন্য কোন কোম্পানির প্রোডাক্ট নিজের ওয়েবসাইট এর প্রচার করতে পারেন। এজন্য অবশ্যই সেই কোম্পানি আপনাকে অর্থ প্রদান করবে। আবার ভিন্ন বড় বড় কোম্পানি যেমন আলিবাবা, অ্যামাজন ইত্যাদির প্রোডাক্ট আপনার ওয়েবসাইটে শেয়ার করতে পারেন। এক্ষেত্রে কোম্পানিগুলো আপনাকে একটি এড্রেস দিবে। সেই এড্রেসটি আপনি আপনার ওয়েবসাইটে শেয়ার করবেন। সেই এড্রেস এর মাধ্যমে যদি কেউ সেই প্রোডাক্টটি ক্রয় করেন, তাহলে আপনি পাবেন রেভিনিউ। এভাবে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে আপনি ব্লগিং করে টাকা আয় করতে পারেন।

ব্লগিং এর জন্য ওয়েবসাইট তৈরি করার উপায়:

ব্লগিং এর জন্য আপনার একটি ওয়েবসাইট প্রয়োজন। ওয়েবসাইট এর জন্য কোডিং করা প্রয়োজন। কিন্তু আমরা অনেকেই কোডিং পারি না। তাহলে আমরা কি ব্লগিং করতে পারব না? আমরা কি ব্লগিং করে আয় করতে পারবো না? অবশ্যই পারবো। মূলত দুটি উপায়ে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়।

একটি উপায় হচ্ছে ব্লগার কিংবা ওয়াডপ্রেস এর মাধ্যমে ওয়েবসাইট তৈরি করা এবং অন্যটি হচ্ছে কাস্টম কোড এর মাধ্যমে। তবে বর্তমানে অধিকাংশ ব্লগার কিংবা ওয়ার্ডপ্রেস এর মাধ্যমে তৈরি করা হয়। ওয়ার্ডপ্রেস এবং ব্লগার এর রয়েছে আলাদা সুবিধা। ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করলেন আপনি খুব সহজেই ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারছেন। এখানে আপনার কোন কোডিং করা প্রয়োজন হবে না। এছাড়া ওয়েবসাইটের উপরে আপনার একটি নিয়ন্ত্রণ থাকবে।

এসইও করতে পারবেন খুব সহজ হবে। তবে ওয়াডপ্রেস এর জন্য ডোমেইন এবং হোস্টিং উভয় প্রয়োজন। অন্যদিকে ব্লগার ডোমেইন প্রয়োজন কিন্তু হোস্টিং লাগে না। কারন গুগল আপনাকে হোস্টিং বিনামূল্যে সরবরাহ করবে। তবে ব্লগারে এসইও করতে একটু অসুবিধা হতে পারে। এছাড়াও ওয়ার্ডপ্রেস এ প্লাগিন পাওয়া যায়। যার মাধ্যমে খুব সহজে এসইও সহ ডিজাইন করা যায়। তবে ব্লগার কিংবা ওয়াডপ্রেস দুটোতেই অ্যাডসেন্স পাওয়া যায়।

ব্লগিং করে কত টাকা আয় করা যায়?

যদি বলি ব্লগিং করে প্রতিমাসে 2000 ডলার ইনকাম করা যায় এটা সত্য। আবার যদি বলি ব্লগিং করে আপনি 100 ডলার ইনকাম করতে পারবেন না, তাও সত্য। মূলত ব্লগিং এর ইনকাম অনেক কিছুর উপর নির্ভর করে। যেমন সিপিসি, কান্ট্রি ইত্যাদি। যদি আপনি টেকনোলজি কিংবা হাই সিপিসি কীওয়ার্ড যুক্ত করে পোস্ট লেখেন, তাহলে আপনার বিজ্ঞাপনে ভিজিটর দেখলে আপনার ইনকাম বেশি হবে। অপরদিকে যদি লো সিপিসি কীওয়ার্ড যুক্ত পোস্ট লেখেন তাহলে আপনার ইনকাম কমে যাবে। তবে ব্লগিং করে মোটামুটি ভালো মানের টাকা ইনকাম করা সম্ভব। যদি বাংলা ব্লগিং করেন তাহলে ইনকাম টা একটু কম হতে পারে।

তবে অনেকেই বাংলা ব্লগিং করে মাসে 500 ডলার থেকে 1000 ডলার ইনকাম করছে। আর যদি ইংরেজি ব্লগিং করেন তাহলে ইনকাম টা বেশি হতে পারে। কোন দেশ থেকে আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করা হচ্ছে এর উপরে আপনার ইনকাম নির্ভর করবে। যদি উন্নত দেশ সমূহ থেকে যেমন আমেরিকা, লন্ডন আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করা হয়, তাহলে আপনার ইনকাম অনেক বেড়ে যাবে। অন্যদিকে এশিয়া সহ নিম্নআয়ের দেশসমূহের ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করলে সেখানে ইনকাম টা কমে যেতে পারে। এজন্য ব্লগিং শুরু করার আগে আপনার টপিক এবং কোন দেশের উপরে অর্থাৎ কোন দেশের ভিজিটররা আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করবেন সে সংক্রান্ত গবেষণা এবং রিচার্জ করে নিবেন।

ব্লগিং আয় সহায়ক থিম

বিভিন্ন ধরনের থিম রয়েছে। যেমন নিউজ সাইটের জন্য রয়েছে নিউজ সহায়ক থিম। আবার রেস্টুরেন্ট কিংবা ট্রাভেল-এর জন্য রয়েছে আলাদা থিম। একটি ওয়েবসাইট থিম ওয়েবসাইটের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দেয়। যদি আপনার থিম খুব ভালো হয় তাহলে আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করে ভিজিটররা খুশি হবে। একটি পেজ থেকে অন্য পেজে তারা যাবে। অপরদিকে যদি আপনার থিম ভালো না হয় তাহলে আপনার পোস্টগুলো গোছানো হবে না। এর ফলে ভিজিটররা আপনার পোস্ট গুলো ভালো করে দেখতে পারবে না। এ জন্য ভালো একটি থিম সিলেক্ট করতে হবে. তাই আপনি যে টপিকস নিয়ে ব্লগিং করবেন সেই টপিকস রিলেটেড ভালো থিম সিলেক্ট করুন। এছাড়া কিছু থিম রয়েছে যেগুলোর স্পিড অনেক বেশি থাকে। যে থিমগুলোর স্পিড বেশি থাকে চেষ্টা করবেন সেই দিনগুলো ব্যবহার করার। আবার কিছু থিম এসইও সহায়ক। সেসকল থিম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই ব্লগিং শুরু করার আগে থিম সিলেক্ট করুন।

এমন থিম সিলেক্ট করবেন যেন তা এসইও এবং স্পিড ভালো হয়।

ব্লগিং করে আয়: ওয়েবসাইট মনেটাইজেশন করুন

যখন আপনি একটি ওয়েবসাইট তৈরি করবেন এবং বিভিন্ন লেখা পাবলিশ করবেন। তখন ভিজিটররা আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করবে। আপনার লেখা পড়বে। তখন আপনার ওয়েবসাইট গুগোল অ্যাডসেন্সে এপ্লাই করা উচিত। গুগোল অ্যাডসেন্সে অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন। এরপর প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো সরবরাহ করুন। মনে রাখবেন, একটি ডিভাইস থেকে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করবেন। এরপর আপনার ওয়েবসাইটটি গুগোল অ্যাডসেন্সে সাবমিট করুন। সাবমিট করার পরে গুগোল আপনার ওয়েবসাইট মনিটরিং করবে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে 7 থেকে 14 দিনের মধ্যে আপনারা ইমেইল পাবেন। যদি সব কিছু ঠিক থাকে তাহলে আপনি অ্যাডসেন্স পাবেন। আর যদি ঠিক না থাকে তাহলে একজন পাবেন না। তবে গুগল আপনাকে বলে দিবে আপনার কোন জায়গায় সমস্যা আছে। আপনি সেগুলো ঠিক করে পুনরায় আবার এডসেন্সে এপ্লাই করতে পারবেন।

ব্লগিং করে আয়: প্রশ্ন

এখন ব্লগিং সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর আমরা দিব। আপনারা সচরাচর এ সকল প্রশ্ন আমাদের করে থাকেন।

  1. ব্লগিং করে আয় করতে কতদিন সময় লাগে?
    উত্তর: ব্লগিং আয় করতে দুই থেকে তিন মাস সময় প্রয়োজন
    তবে আপনার পারফরম্যান্স ভেদে কমবেশি হতে পারে।
  2. ব্লগিং করে কত টাকা আয় করা যায়?
    উত্তর: ব্লগিং করেন মোটামুটি 300 থেকে 500 ডলার আয় করা সম্ভব। তবে আপনার সিপিসি এবং কান্ট্রি এর উপর নির্ভর করে এর পরিমাণ কমবেশি হতে পারে।
  3. ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য ওয়ার্ডপ্রেস ভালো হবে নাকি ব্লগার?
    উত্তর: ভালো উভয়টি। তবে আমার কাছে প্রশ্ন করলেন আমি বলব ওয়ার্ডপ্রেস।
  4. একটি এডসেন্স একাউন্টে কয়েকটি ওয়েবসাইট মনিটাইজ করা যায়?
    উত্তর: অসংখ্য
  5. একটি ডিভাইস এ কয়টি এডসেন্স একাউন্ট খোলা যায়?
    উত্তর: একটি।
  6. মোবাইল এর মাধ্যমে ব্লগিং করে আয় করা যায়?
    উত্তর: যায়। তবে ল্যাপটপ কিংবা ডেক্সটপ হলে ভালো হয়।

আপনার চেষ্টা করেছি ব্লগিং করে টাকা আয় করার সম্পূর্ণ মাধ্যমে এবং পূর্ণাঙ্গ ধারণা দেওয়ার। আশা করি আপনারা সবাই পুরো বিষয়টি সম্পর্কে পুরোপুরি অবহিত হয়েছেন। অনেকেই বুঝতে পেরেছেন। আবার কেউ কেউ নাও বুঝতে পারেন। আবার অনেকের আরো কিছু জিজ্ঞাসা থাকতে পারে। আপনাদের ব্লগিং করে টাকা আয় করা নিয়ে যাবতীয় প্রশ্ন আমাদের কমেন্ট করে জানান।

Leave a Comment