ঘরে বসে আয় করুন ১৫০০০ ২০০০০ টাকা প্রতি মাসে

ঘরে বসে আয় করুন ১৫০০০ ২০০০০ টাকা প্রতি মাসে : বর্তমান পৃথিবী ছোট হয়ে আসছে। ছোট হওয়া বলতে বোঝাচ্ছে ঘরে বসেই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে। মানুষ পৃথিবীতে বসে উপগ্রহের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছে। তেমনই বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে সৃষ্টি হয়েছে অনলাইন কার্যক্রমের উপায়। এর ফলে ঘরে বসে আয় করুন ১৫০০০ ২০০০০ টাকা প্রতি মাসে খুব সহজে।

ঘরে বসে আয় করতে চাইলে আমাদের যে কোন একটি বিষয়ে স্কিল ডেভেলপমেন্ট করতে হবে। বর্তমানে ঘরে বসেই অফিস পরিচালনা করা সম্ভব। কারণ বর্তমান সকল কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় অনলাইনের মাধ্যমে। তাই যদি আপনার একটি স্মার্ট ডিভাইস এবং তাতে ইন্টারনেট কানেকশন থাকে, তাহলে আপনি যেকোন জায়গায় বসেই কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন। তাই আমাদের আজকের টপিক হচ্ছে ঘরে বসে আয় করুন ১৫০০০ ২০০০০ টাকা প্রতি মাসে। তবে পৃথিবী এতটা সহজ হয়ে যায় নি যে, আপনি ঘরে বসেই অনায়াসে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আপনি ঘরে বসেই টাকা ইনকাম করতে পারবেন। কিন্তু আপনার দক্ষতা থাকতে হবে। পূর্বে যে সমস্ত কাজ অফিসে যেয়ে করতে হতো বর্তমানে সেগুলো ঘরে বসেই করা সম্ভব। এ সকল কাজে যদি আপনার দক্ষতা থাকে তাহলেই আপনি ঘরে বসে অন্যের কাজ করতে পারবেন। আমরা যে সকল বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে পারি তা আলোচনা করব। আমরা প্রায় 10 টি টপিক নিয়ে আলোচনা করব। আপনারা তার থেকে যে কোন একটি বেছে স্কিল ডেভেলপমেন্ট শুরু করে দিন।

ব্লগিং করে ঘরে বসে আয় করুন ১৫০০০ ২০০০০ টাকা প্রতি মাসে

ব্লগিং করে ঘরে বসে আয় করুন ১৫০০০ ২০০০০ টাকা প্রতি মাসে

ব্লগিং মানে হচ্ছে লেখালেখি করা। অর্থাৎ আপনি একজন রাইটার। অনেকেই আছেন যারা লেখালেখি করতে পছন্দ করেন। তাদের মধ্যে ক্রিয়েটিভ চিন্তাভাবনা রয়েছে। তাদের জন্য ব্লগিং উত্তম একটি মাধ্যম অনলাইন থেকে ইনকাম করার জন্য। তাই যদি আপনার ক্রিয়েটিভ মাইন্ড থাকে, তাহলে আপনি ব্লগিং শুরু করতে পারেন। বিষয়টি এমন নয় ক্রিয়েটিভ মাইন্ড থাকতেই হবে। আপনি যেকোনো একটি টপিকস সিলেট করে ব্লগিং শুরু করতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনাকে বুঝতে হবে কোন টপিকস নিলে আপনার জন্য সুবিধা হবে। হতে পারে এডুকেশনাল, ট্রাভেলিং, টেকনোলজি, হেলথ, প্রশ্ন ও উত্তর ইত্যাদি। এর মাধ্যমে আপনি ঘরে বসে আয় করুন ১৫০০০ ২০০০০ টাকা প্রতি মাসে খুব সহজে। ব্লগিং শুরু করতে হলে আপনাকে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে। ওয়েবসাইট দুই ভাবে তৈরি করা যায়। একটি হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেস কিংবা ব্লগার এর মাধ্যমে এবং অন্যটি হচ্ছে কাস্টম কোডের মাধ্যমে। তবে বর্তমানে অধিকাংশ ওয়েবসাইট তৈরি করা হয় ওয়ার্ডপ্রেস এর মাধ্যমে। যদি আপনি ওয়ার্ডপ্রেস এর মাধ্যমে ওয়েবসাইট তৈরী করতে চান তাহলে আপনার একটি ডোমেইন এবং একটি হোস্টিং প্রয়োজন হবে। অপরদিকে যদি আপনি ব্লগার এর মাধ্যমে ওয়েবসাইট তৈরি করেন তাহলে আপনার শুধু ডোমেইন হলেই হবে। কারণ গুগল আপনাকে ফ্রিতে হোস্টিং সরবরাহ করবে। তবে যদি আপনি এসইও এর দিকে নজর দেন এবং ডিজাইন এর দিকে নজর দেন তাহলে ওয়ার্ডপ্রেস ভালো হবে। এছাড়া আপনার একটি নিয়ন্ত্রণ থাকবে আপনার ওয়েবসাইটের উপর। যদিও বিভিন্ন মানুষ বিভিন্ন রকম চিন্তাভাবনা করতে পারে। তবে ব্লগার বা ওয়াডপ্রেস দুআটার মাধ্যমেই আয় সম্ভব।

ব্লগিং এর মাধ্যমে প্রথম থেকেই আপনার আর্নিং নাও হতে পারে। এক থেকে দুই মাস চেষ্টা করলে আপনার আর্নিং শুরু হতে পারে। ব্লগিংয়ের মাধ্যমে মূলত গুগল এডসেন্স এর মাধ্যমে অনলাইন ইনকাম হয়। তবে ইচ্ছা করলে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে আপনি ঘরে বসে প্রতিমাসে 15000 থেকে 20000 টাকা আয় করতে পারেন। তবে ব্লগিং থেকে আয় করা বলতে বোঝায় মূলত গুগল এডসেন্স থেকে আয়। যাইহোক যদি আপনার লেখালেখি করতে ভালো লাগে তাহলে শুরু করতে পারেন ব্লগিং।

পিটিসি সাইট থেকে ঘরে বসে আয় করুন ১৫০০০ ২০০০০ টাকা প্রতি মাসে:

পিটিসি সাইটে বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন থাকে। বিজ্ঞাপন গুলো ভিডিও আকারে থাকতে পারে আবার এমনি থাকতে পারে। তবে আপনার কাজ হচ্ছে ভিডিও গুলো দেখা। মূলত এর মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট কোম্পানির প্রচার হয়। কারণ পিটিসি সাইট গুলোতে প্রতিদিন অনেক মানুষ ভিজিট করেন। এর ফলে বিভিন্ন কোম্পানি পিটিসি সাইটে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে। যদি মানুষ সেই বিজ্ঞাপন গুলো দেখে তাহলে সেই কোম্পানির প্রচার বৃদ্ধি পায়। তাই যদি আপনি ও বিজ্ঞাপন গুলো দেখেন, তাহলে আপনাকেও পিটিসি সাইট থেকে রেভিনিউ দেয়া হবে। এভাবেই পিটিসি সাইট থেকে আয় হয়। তাই আপনি খুব সহজে পিটিসি সাইট থেকে ঘরে বসে আয় করুন ১৫০০০ ২০০০০ টাকা প্রতি মাসে

তবে এক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে বিভিন্ন ধরনের পিটিসি সাইট রয়েছে যেগুলো ভুয়া। আপনাকে এসকল পিটিসি সাইট থেকে দূরে থাকতে হবে। আপনাদের সুবিধার্থে আমরা নিম্নে কিছু পিটিসি সাইট এর এড্রেস দিচ্ছি। তবে পিটিসি সাইট থেকে আয় করলে আপনাকে স্কিল ডেভেলপমেন্ট হবে না। অপরদিকে উপরে বর্ণিত ব্লগিং এর মাধ্যমে আপনার স্কিল ডেভেলপমেন্ট হবে। আমরা মূলত অনেক ধরনের উপায় আপনাদের বলব। সাথে বলে দিব কোনটি আপনার স্কিল ডেভেলপমেন্ট বেশি হতে পারে।

NeoBux
ClixSense
FamilyClix
Scarlet Click
GPTPlanet
Ayuwage
Innocurrent
Paiddataentry

আর্টিকেল লিখে ঘরে বসে মোবাইলে আয়:

আর্টিকেল লিখে ঘরে বসে আয় করুন ১৫০০০ ২০০০০ টাকা খুব সহজে। আমরা প্রথমদিকে ব্লগিং এর কথা বলেছিলাম। ব্লগিং যদি আপনি নিজে করেন তাহলে নিজের ওয়েবসাইটে আর্টিকেল লিখতে পারেন। কিন্তু অনেকেই নিজের ওয়েবসাইটে আর্টিকেল লিখে না। তারা অন্যের আর্টিকেল লিখে দেয়। এজন্য তারা আপনাকে রেভিনিউ দিবে। এর জন্য সবচেয়ে ভাল মাধ্যম হচ্ছে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে। যেমন ফাইবার, আপওয়ার্ক ইত্যাদি। বিভিন্ন বায়ার তাদের ওয়েবসাইটে আর্টিকেল এর জন্য আর্টিকেল রাইটার খুঁজে। জেনে খুশি হবেন যে, আর্টিকেল রাইটার এর চাহিদা ব্যাপক। অর্থাৎ বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে প্রচুর পরিমাণে আর্টিকেল রাইটার প্রয়োজন হয়। তবে যদি আপনি মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে চান তাহলে আপনার ইংরেজিতে দক্ষতা থাকতে হবে। এছাড়াও দেশীয় বিভিন্ন কোম্পানি বিশেষ করে নিউজ পোর্টাল গুলো আর্টিকেল রাইটার দের নিয়োগ দেয়। সুতরাং যদি আপনি ভাল আর্টিকেল লিখতে পারেন তাহলে আপনি অনলাইনে ইনকাম করতে পারেন ঘরে বসে। এক্ষেত্রে আপনাকে এসইও সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে।

টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশে ২০২২

How to make money from youtube in 2022? The Complete Guideline

How does Facebook make money?

How to get a remote job

ইনস্টাগ্রাম অ্যাপ দিয়ে ঘরে বসে মোবাইলে আয়:

ইনস্টাগ্রাম বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মতোই একটি যোগাযোগ মাধ্যম। ইনস্ট্রাগ্রামে ভিডিও এবং ছবি শেয়ার করা সম্ভব। এছাড়াও মেসেজিং করা যায়। যদি আপনার একটি ইনস্টাগ্রাম আইডি থাকে এবং সেখানে প্রচুর ফলোয়ার থাকে, তাহলে আপনার ইনস্টাগ্রাম আইডি থেকে আপনি ঘরে বসে আয় করুন ১৫০০০ ২০০০০ টাকা প্রতি মাসে। তবে ইনস্টাগ্রামে গুগল থেকে ইনকাম আসেনা এখানে মূলত বিভিন্ন কোম্পানির অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এবং স্পনসর্শিপ নিয়ে অনলাইন ইনকাম হয় যত দিন যাচ্ছে বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে মানুষের পদচারণা ততই বৃদ্ধি পাচ্ছে খুব অল্পতেই ইনস্টাগ্রাম অনেক জনপ্রিয় হয়েছে তাই মানুষের পদচারণা ক্রমেই ইনস্টাগ্রামে বাড়াচ্ছে তাই যদি আপনার একটি ইনস্টাগ্রাম আইডি থাকে এবং তাতে অনেক বেশি ফলোয়ার থাকে তাহলে আপনার পোস্টগুলো অনেক মানুষ দেখবে। যদি আপনি কোন একটি কোম্পানির প্রচার করেন তাহলে অনেক মানুষ সেই কোম্পানি সম্পর্কে জানতে পারবে। এজন্য যাদের ইনস্টাগ্রাম আইডিতে ফলোয়ার থাকে, বিভিন্ন কোম্পানি তাদের প্রচারের জন্য অনুরোধ করেন। প্রচার করার জন্য তাকে অবশ্যই অর্থ প্রদান করা হয়। আপনি আপনার আইডিতে এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারেন। বিভিন্ন প্রোডাক্ট সম্পর্কে রিভিউ দিতে পারেন। এভাবে আপনি ইনস্টাগ্রাম থেকে টাকা ইনকাম করতে পারেন।

এফিলিয়েট মার্কেটিং করে ঘরে বসে মোবাইলে আয়:

এফিলিয়েট মার্কেটিং করে ঘরে বসে মোবাইলে আয়

বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির যুগে অনলাইন থেকে টাকা আয় করার সবচেয়ে ভাল মাধ্যম হচ্ছে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। যারা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে তাদের বলা হয় অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার। বিভিন্নভাবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করা যায়। মূলত যেখানে মানুষের পদচারণা বেশি সেখানেই এফিলিয়েট মার্কেটিং সম্ভব। যেমন ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব, ওয়েবসাইট ইত্যাদি। ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অর্থাৎ ব্লগিং করে কিভাবে আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং করবেন তা আমরা ইতিমধ্যে বলেছি। আপনার ওয়েবসাইটে আপনি নির্দিষ্ট কোন প্রোডাক্ট সম্পর্কে ভালো রিভিউ দিতে পারেন। এছাড়াও বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ, ফেসবুক পেজ ইত্যাদিতে বিভিন্ন প্রোডাক্ট সম্পর্কে প্রচার করতে পারেন। বিভিন্ন গ্রুপের কমেন্ট সেকশনে প্রোডাক্ট সম্পর্কে ভাল মন্তব্য করতে পারেন। অবশ্যই আপনাকে কোম্পানি একটি অ্যাড্রেস প্রোভাইড করবে। সেই অ্যাড্রেস আপনি বিভিন্ন জায়গায় শেয়ার করবেন। ওই অ্যাড্রেস এর মাধ্যমে যদি কেউ প্রোডাক্ট ক্রয় করে তাহলে আপনি পাবেন রেভিনিউ। এভাবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে ইনকাম সম্ভব। মূলত একটি কোম্পানির প্রোডাক্ট অন্য একজন বিক্রয় করতে সাহায্য করছে। এজন্য বলা হচ্ছে এক এফিলিয়েট। বাংলাদেশ থেকে অনেক মানুষ এফিলিয়েট মার্কেটিং করে। এছাড়াও অ্যামাজন, আলিবাবা ইত্যাদি বড় বড় কম্পানির এফিলিয়েট মার্কেটিং করে ভালো পরিমাণ টাকা আয় করা সম্ভব। তাই যদি আপনি অনলাইনে ইনকাম করতে চান এবং ঘরে বসে ১৫০০০ ২০০০০ টাকা আয় করতে চান তাহলে আফিলিয়েট মারকেটিং করতে পারেন।

কয়েকটি ওয়েবসাইট এড্রেস এবং নেম আপনাদের দেয়া হল যাদের মাধ্যমে খুব সহজে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে 15000 থেকে 20000 টাকা আয় করতে পারেন প্রতি মাসে।

Amazon
eBay Partners.
Shopify
Click-bank.
Awin
CJ Affiliate
Rakuten Affiliate Network
AvanGate
LinkConnector

ওয়েব ডিজাইন এর মাধ্যমে টাকা ইনকাম:

ওয়েব ডিজাইন ঘরে বসে আয় করুন ১৫০০০ ২০০০০ টাকা প্রতি মাসে

বর্তমান যুগে সকল কার্যক্রম অনলাইননির্ভর। যে কোন কোম্পানি কিংবা রেস্টুরেন্ট অথবা অন্য কোন কিছুর ওয়েবসাইট থাকে। আমরা মূলত একটি কোম্পানিকে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে চিনি। যোগাযোগ করার মাধ্যম এখন ওয়েবসাইট। তাই প্রতিনিয়ত লক্ষ লক্ষ ওয়েবসাইট গুগলে পাবলিশ হচ্ছে। প্রতিটি ওয়েবসাইটের রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন ডিজাইন। ভালো ডিজাইনের উপর ওয়েবসাইটের গুনাগুন নির্ভর করে। তাই প্রত্যেকটি কোম্পানি ভালো ডিজাইনের একটি ওয়েবসাইট চায়। কিন্তু একটি ওয়েবসাইট ডিজাইন করতে সবাই পারে না। যারা করতে পারে তাদের বলা হয় ওয়েব ডিজাইনার। যেহেতু প্রতিনিয়ত প্রচুর পরিমাণে ওয়েবসাইট পাবলিশ হচ্ছে তাই প্রত্যেকটি ওয়েবসাইটের জন্য প্রয়োজন ডিজাইনার। তাহলে চিন্তা করুন ওয়েব ডিজাইনারের চাহিদা কত! যদি আপনি ভাল একজন ওয়েব ডিজাইনার হতে পারেন তাহলে আপনার কাজের অভাব হবে না। আপনি খুব সহজে ঘরে বসে ১৫০০০ ২০০০০ টাকা প্রতি মাসে আয় করতে পারবেন।

ওয়েব ডিজাইনার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে হলে আপনাকে স্কিল ডেভেলপমেন্ট করতে হবে। আপনাকে যে সকল বিষয় সম্পর্কে জানতে হবে তা হচ্ছে:

এইচটিএমএল
সিএসএস
বুটস্ট্রাপ
জাভাস্ক্রিপ্ট এবং এদের ফ্রেমওয়ার্ক

যখন আপনি ভাল একজন ওয়েব ডিজাইনার হয়ে যাবেন তখন আপনি বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে আপনার অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন। কারণ সেখানে প্রচুর পরিমাণে ওয়েব ডিজাইনারের চাহিদা রয়েছে। আপনি খুব সহজে প্রতি মাসে ঘরে বসে টাকা আয় করতে পারবেন। তাই যদি আপনি স্কিল ডেভেলপমেন্ট মূলক কোনো কাজ চান তাহলে আমি বলব ওয়েব ডিজাইন।

সুপ্রিয় বন্ধুরা আমরা আশা করি আপনারা আজকের এই ঘরে বসে আয় করুন ১৫০০০ ২০০০০ টাকা প্রতি মাসে পোস্ট বুঝতে পেরেছেন। আমাদের উদ্দেশ্য আপনারা ভালো একটি পরিমাণ টাকা আয় করুন অনলাইন থেকে। যদি আপনাদের অনলাইন থেকে ইনকাম সম্পর্কে আরো জিজ্ঞাসা থাকে আমাদের কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না।

Leave a Comment